
ইরান যুদ্ধ: যুক্তরাষ্ট্রের ‘বিজয়’ দাবি কতটা সত্য?
BD Feature, Writter
মে ২০২৬-এর একটি বিশ্লেষণধর্মী প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের শুরু করা যুদ্ধ দুই মাস পেরিয়ে গেলেও এখনো এর লক্ষ্য ও সাফল্যের মানদণ্ড পরিষ্কার নয়। এমনকি মার্কিন কর্মকর্তারাই এখন দাবি করতে শুরু করেছেন যে যুদ্ধটি নাকি আগেই যুক্তরাষ্ট্রের “পক্ষে শেষ” হয়েছে—যদিও বাস্তবে পরিস্থিতি এতটা সরল নয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও স্ট্রেইট অব হরমুজকে নিরাপদ ও উন্মুক্ত করার কথা বললেও একই সময়ে সেখানে হামলার ঘটনা ঘটে, যা তাদের বক্তব্যের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
পরে যুক্তরাষ্ট্র “প্রজেক্ট ফ্রিডম” নামে একটি নৌ-এসকর্ট মিশন শুরু করলেও তা একদিনের মধ্যেই বন্ধ করে দেওয়া হয়। কারণ, অনেক জাহাজই নিরাপত্তা নিশ্চিত হলেও ওই অঞ্চল দিয়ে যেতে রাজি হয়নি এবং ইরানও পাল্টা হামলা চালিয়ে পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে।
বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ইরান এখন হরমুজ প্রণালী বন্ধ করার হুমকিকে কৌশলগত চাপ হিসেবে ব্যবহার করছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা বজায় রেখেছে, যা আলোচনাকে আরও কঠিন করে তুলেছে।
লেখক মনে করেন, যদি আলোচনা শুরুও হয়, তবু ২০১৫ সালের মতো একটি পূর্ণাঙ্গ চুক্তি করা ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য খুব কঠিন হবে, কারণ তাদের কাছে আগের প্রশাসনের মতো শক্তিশালী কূটনৈতিক কাঠামো নেই।
ইরান পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে হয়তো কিছু আপস করতে পারে, কিন্তু পুরোপুরি আত্মসমর্পণ করবে—এমন সম্ভাবনা কম।
প্রতিবেদনটি শেষ দিকে বলছে, এই যুদ্ধ যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি বড় কৌশলগত ব্যর্থতা হয়ে উঠতে পারে। এটি মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতা আরও দুর্বল করেছে, মিত্র দেশগুলোর আস্থা কমিয়েছে এবং ইরানকে আরও কঠোর অবস্থানে ঠেলে দিয়েছে।
সব মিলিয়ে লেখকের মতে, এই যুদ্ধ শেষ পর্যন্ত ট্রাম্পের জন্য একটি বড় রাজনৈতিক ও কৌশলগত ব্যর্থতার উদাহরণ হয়ে দাঁড়াতে পারে, যদিও কিছু সামরিক ক্ষতি ইরানের হয়েছে।
Before you go ...
We're building a community of experts dedicated to rebuilding trust and serving the public by making knowledge available to everyone. Join us at the beginning of our journey and receive a curated list of articles in your inbox twice a week. Be among our first subscribers!



